পাকিস্তানের ৪৪৮ রানের জবাবে মুশফিক ও মিরাজের দারুণ ব্যাটিংয়ে ৫৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১১৭ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের ৪৪৮ রানের জবাবে চতুর্থ দিন শনিবার ৫৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ১১৭ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা।
পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ ওভারে ২৩ রান তুলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে। তারা এখনও ৯৪ রানে পিছিয়ে আছে এবং হাতে রয়েছে ৯ উইকেট। মুশফিকুর রহিম ১৯১ রানে আউট হন এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৭৭ রান করেন।
গতকাল তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ৩১৬ রান সংগ্রহ করেছিল, এবং তারা ১৩২ রানে পিছিয়ে ছিল। মুশফিক ৫৫ এবং লিটন দাস ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন। আজ দিনের নবম ওভারে পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহর বলে ৫৬ রানে আউট হন লিটন।
লিটনের বিদায়ের পর মিরাজের সঙ্গে রানের চাকা সচল রাখেন মুশফিক। ইনিংসের ১১৬তম ওভারে মুশফিক তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরির দেখা পান। ১৩৭তম ওভারে পাকিস্তানের রান টপকে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন মুশফিক-মিরাজ।
মুশফিক ৩৪১ বলের ইনিংসে ২২টি চার এবং ১টি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯১ রানে আউট হন। সপ্তম উইকেটে মিরাজের সঙ্গে ১৯৬ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন মুশফিক। এ জুটি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সপ্তম উইকেটের জন্য সর্বোচ্চ।
মুশফিকের বিদায়ের পর মিরাজ এবং শরিফুল ইসলামের ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের লিড আরও বাড়ে। মিরাজ ৭৭ রানে আউট হন এবং শেষ ব্যাটার হিসেবে শরিফুল ২২ রানে থামলে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়।
পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে শরিফুল ইসলামের পেস আক্রমণে তৃতীয় ওভারেই সাইম আইয়ুব কটবিহাইন্ড হন। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তান ১০ ওভারে ২৩/১ স্কোর নিয়ে দিন শেষ করে। পঞ্চম দিনে স্পিনারদের, বিশেষ করে সাকিব আল হাসান এবং মিরাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ উইকেটে টার্ন ও বাউন্স পাওয়া যাচ্ছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৪৪৮/৬ ডিক্লেয়ার।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫৬৫/১০ (মুশফিক ১৯১, মিরাজ ৭৭; নাসিম ৩ উইকেট, আফ্রিদি ২ উইকেট)
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ২৩/১ (১০ ওভার, শাফিক ১২*, মাসুদ ৯*)

